শনিবার, ১৩ Jun ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

সাড়ে চার হাজারের বেশিবার রূপ বদলেছে করোনা

দেশে এ পর্যন্ত ৪,৬০৪ বার রূপ বদলেছে করোনাভাইরাস। এর মধ্যে সম্পূর্ণ নতুন ধারার জিনগত মিউটেশন মিলেছে ৩৪টি, যা আর কোনো দেশে পাওয়া যায়নি। করোনার সবচেয়ে বেশি রূপ-বদল পাওয়া গেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুরে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও মালয়েশিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৫ প্রতিষ্ঠানের ১০ গবেষক এসব তথ্য দিয়েছেন।

এদিকে দেশে ২০ দিনের ব্যবধানে করোনা রোগী শনাক্তের হার বেড়েছে ৮ ভাগ। প্রতিটি হাসপাতালেই বাড়ছে চাপ। এছাড়া যুক্তরাজ্য ও সাউথ আফ্রিকায় শনাক্ত নতুন ধরনের করোনার মতো ভাইরাসের সন্ধানও মিলেছে দেশে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা জানালেন, ২০২০ সালে দেশে সাড়ে চার হাজারের বেশিবার রূপ বদল করেছে করোনা। ৩৭১ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স থেকে ৩৪টি একেবারে নতুন মিউটেশন পাওয়া গেছে। গবেষকেরা এর নাম দিয়েছেন বাংলা মিউটেশন।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আদনান মান্নান বলছেন, আমরা এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে একেবারে ইউনিক ৩৪টি নতুন মিউটেশন পেয়েছি। যা পৃথিবীর আর কোথাও এখনো পাওয়া যায়নি। এর নাম আমরা দিয়েছি বাংলা মিউটেশন। জেনেটিক মিউটেশন সম্পন্ন ভাইরাসের নমুনাগুলো এখনি ল্যাবে নিয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

দেশের ইউনিক মিউটেশনগুলো অঞ্চলভিত্তিক। কিছু জিনগত পরিবর্তন শুধু নির্দিষ্ট জেলা বা অঞ্চলেই পাওয়া গেছে। ঢাকায় দেখা গেছে তিনটি সুনির্দিষ্ট জিনগত পরিবর্তন। একইভাবে চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, বরিশাল, যশোর, মৌলভীবাজার এবং ময়মনসিংহেও আলাদা মিউটেশন পাওয়া গেছে।

ইউনিক মিউটেশন বেশি থাকায় নতুন যেকোনো ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। ফলে এলাকাভিত্তিক জিনোম সিকোয়েন্স করা জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, শক্তিশালী জি-৬১৪-ডি মিউটেশন ৯৮ ভাগ।

এদিকে বাংলাদেশে করোনার নতুন জিনগত মিউটেশনের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com